Press ESC to close

হাসির গল্প

মজার হাসির গল্প -জামাই শ্বশুরে গল্প-গ্রামের চা-দোকানের গল্প-এক কৃষকের গল্প

mdr.sohel88 0

জামাই শ্বশুরে গল্প হাসির গল্প পড়তে আমাদের সবাই কাছে ভালো লাগে । তাই যারা হাসির গল্প পড়তে ভালোবাসেন তাদের জন্য সুন্দর সুন্দর হাসির গল্প দেয়া হল ।আমার গল্পগুলো ভালো লাগে…

Continue reading

বাঙ্গালির হাসির গল্প < কিছুমিছু < জসীম উদ্দীন

mdr.sohel88 0

বাঙ্গালির হাসির গল্প – কিছুমিছু –জসীম উদ্দীন বড় ভাই হরি প্রায়ই শ্বশুরবাড়ি যায়। সেখানে তাকে কত খাতির-আদর করে। এটা-সেটা খেয়ে এসে নানারকম গাল-গল্প করে। ছোট ভাই নেপাল শুনে মুখ কাঁচুমাচু করে। তার তো বিবাহই হয় নাই। কে তাঁকে খাতির যত্ন করবে সেদিন নেপাল গিয়ে বড় ভাই হরিকে বলল, দাদা, প্রতিবছর তুমি শ্বশুরবাড়ি যাও। কত কি খেয়ে আস, এবার নাহয় তোমার বদলে আমি যাব। বড় ভাই বলল, আচ্ছা আমি এবার যাব না। তুই-ই আমার শ্বশুরবাড়ি থেকে বেড়িয়ে আসিস। শুনে ছোট ভাই ভারি খুশি। যাওয়ার সময় মা বলে দিল, দেখ, তুই তো তোর দাদার শ্বশুর বাড়ি যাবি। সেখানে উমা আছে। খালি হাতে কেমন করে যাবি। এই পাঁচটা টাকা নাও। একটা কিছুমিছু একটা কিনে নিস। মা মনে করেছিল, ছেলে বাজার হতে কোনো কিছু কিনে নিয়ে সেখানে যাবে। সন্দেশ, রসগোল্লা বা অন্য কিছু। কিন্তু নেপাল ভাবল, কিছুমিছু না জানি কি একটা নতুন জিনিস, বাজার হতে কিনে নিতে হবে। সে বাজারে গিয়ে এ দোকানে যায় সে দোকানে যায়। মনোহারী দোকানে কত রঙ-বেরঙের জিনিস সাজানো রয়েছে। সে গিয়ে দোকানদারকে জিজ্ঞাসা করে, তোমার কাছে কিছুমিছু আছে নাকি? দোকানদার বুঝতে পারে না কিছুমিছু কি। তাই উত্তর দেয়, নাহ, নাই। মনোহারী দোকান ছেড়ে সে মিষ্টির দোকানে যায়, তারপর হাঁড়ি পাতিলের দোকানে যায়, চাল-ডালের দোকানেও যায়। তোমাদের কাছে কিছুমিছু আছে নাকি? তোমরা আমাকে পাঁচ টাকার কিছুমিছু দাও তো।” এমন বোকা তো কোথাও দেখি নাই। কিছুমিছু আবার দোকানে বিক্রি হয়? তাদের কেউ তার গায়ে ধুলা ছিটিয়ে দিল, কেউ তার মাথায় কেরোসিন তেল মালিশ করতে আসল, কেউ তাঁকে ঘাড় ধাক্কা দিয়ে তাড়িয়ে দিল। মনের দুঃখে সে খালি হাতেই ভাই-এর শ্বশুর বাড়ি রওয়ানা হল।…

Continue reading

পরের ধনে পোদ্দারী

mdr.sohel88 0

পরের ধনে পোদ্দারী -মোহাম্মাদ জসীম উদ্দীন মোল্লা – মোহাম্মাদ জসীম উদ্দীন মোল্লা পরের ধনে পোদ্দারি বাংলা ভাষায় বহুল ব্যবহৃত একটি বাগধারা। পোতদার বা পোদ্দার শব্দটি ফুতহ্+দার (আরবি+ফারসি) সমন্বয়ে গঠিত। এর…

Continue reading

ঢিলের বদলে পাটকেল

mdr.sohel88 0

হাসির গল্প ঢিলের বদলে পাটকেল – হাসির গল্প – মজার গল্প -ছোট গল্প । প্রাচীনকালেরের গ্রামবাংলার মানুষের হাতে নগদ বা কাঁচা পয়সা তেমন ছিলো না। তাই অনেককেই বেশ টানাটানির মধ্যে সংসার চালাতে…

Continue reading

পান্তা বুড়ী

mdr.sohel88 0

জসীম উদ্দীন বাঙ্গালির হাসির গল্প – পান্তা বুড়ী – জসীম উদ্দীন –Panta Buri- Jasimuddin – Bangalir hasir golpo পান্তা বুড়ী রোজ পাতিল ভরে ভাত রাঁধে। তার কতকটা খায়, আর কতকটায় পানি ঢেলে পান্তা করে রাখে। পানির ঠাণ্ডায় ভাত পচে যায় না। রোজ সকালে উঠে সে সেই পান্তা ভাত খায়। এক চোর টের পেয়ে রাত্রে বুড়ী ঘুমাইলে ঘরে ঢুকে তার পান্তা খেয়ে যায়। বুড়ী সকালে উঠে সোরগোল করে। চোরের চৌদ্দ পুরুষ ধরে গালিগালাজ করে। শুনে চোর মনে মনে হাসে। রাতের বেলা বুড়ী ঘুমাইলেই সে আবার ঘরে ঢুকে আগের মতোই তার পান্তা ভাত খেয়ে যায়। কাঁহাতক আর সহ্য করা যায়। বুড়ী সকালে উঠে রাজার বাড়ি চলল নালিশ করতে। যেতে যেতে বুড়ী দেখতে পেল পথের উপর একটি শিং মাছ নড়ছে। সে বুড়ীকে দেখে বলল, “বুড়ীমা, আমাকে পুকুরে ছেড়ে দিয়ে যাও। এখানে থাকলে আমি মরে যাব।” বুড়ীর মনে বড়ই দয়া হল। সে মাছটি উঠিয়ে পুকুরে ছেড়ে দিল। তারপর হনহন্ করে সে পথে যেতে লাগল। খানিক গিয়ে দেখতে পেল পথের মধ্যে একটি ছুরি পড়ে আছে। ছুরিখানা বুড়ীকে বলল, “বুড়ীমা, এই পথ দিয়ে কত লোক যাবে, অসাবধানে কেহ আমার উপর পা ফেললে পা কেটে যাবে। আমাকে ওই কাঁটা গাছের ঝোপের মধ্যে ফেলে দিয়ে যাও না।” বুড়ী ছুরিখানা হাতে নিয়ে কাঁটাগাছের ঝোপের মধ্যে ফেলে দিল। আরও খানিক যেতে বুড়ী দেখতে পেল একটি গাই লতাপাতায় জড়িয়ে আটকে গেছে। গাইটি বলল, “বুড়ীমা, আমি লতাপাতার মধ্যে জড়িয়ে আছি। আমাকে…

Continue reading